মুখোশ খুলি

হাজার বছরের এই চেনা পথ ধরে, ধুলোমলিন পায়ে আমি নিত্য ফিরব ঘরে। সারাদিনের ক্লান্তি নিয়ে ফিরব বাড়ির পানে, দাওয়ায় বসে থাকবে “সে”জন অজানা এক টানে। গোধূলি বেলায় ফিরব আমি নিয়ে গরুর পাল, দূর থেকে ডাকবে আমায় ছোট্ট ছনের চাল। থাকবেনা মোর বিশাল আশা- নিরাশারই দোল, ছোট্ট ঘরটি জুড়ে রবে আনন্দের হিল্লোল। হাটবারে যাব আমি দূরের…
সাধ ছিল বড়ই হব সুখী সুখ হলোনা আমার মুখী তাই চলে যাই দুরে, বিষাদ বর্ণে শব্দ লিখি সব হারিয়ে অল্প শিখি দুঃখের আবাদ বুকের জমিন জুড়ে। দিবানিশি সুখের পিছে ছুটে চলা হয়যে মিছে নিত্য ফিরি দুঃখের উৎস স্থানে, জানিনা সুখ কোথায় কিসে সুখের স্বাদটা মিটাই বিষে বুঝিনা এই ঘানি টানার মানে। সুখে ভরা সবার ভুবন…
স্বপ্ন তুমি- আশা তুমি ভালবাসার গান,যা দিয়েছো দু’হাত ভরে ভরিয়েছে প্রাণ।বেচে থাকা তোমায় ঘিরে ব্যস্ত তোমায় মন,কল্পনাতে নিত্য গড়ি সুখের কুঞ্জবন।আধো ঘুমে তোমায় ভেবে কাটে কত দুপুর,কান পেতে রই বাজবে বুঝি তোমার পায়ের নুপুর।সন্ধ্যা রাতে প্রদীপ জেলে ভাবি তোমার মুখ,ভেবে ভেবেই মিটিয়ে নেব একজনমের সুখ।ভোরের ঊষায় ছবি দেখি জাগলে বুঝি এই,ধরতে গেলে হারিয়ে যাও দেখি…
বৈশাখ আসছে নাকি গেছে বুঝিনাতো কিছু, সারা বছর ঝড় বৃষ্টি ছাড়ছেনাতো পিছু। চৈত্রে দেখি আষাঢ়ে মেঘ ঝড়ের দাপট মহা, ফাল্গুন মাসের অকাল বৃষ্টি যাচ্ছেনা আর সহা। মাঘের শীতে বোঝা যায়না শীত নাকি গরম, পৌষে একটু শীতল বায়ু নয়তো সে আর চরম। অগ্রহায়ণ ম্যারম্যারে ভাব নবান্নের নাই আমেজ, কার্তিক মাসের রৌদ্রে দেখি জৈষ্ঠ মাসের তেজ। আশ্বিন…
মানুষ চিনতে করলে ভুলমাশুল অনেক চড়া,রক্ত মাংসের বুকের পাজরখরায় থাকে ভরা।সময় যত যায় চিনতেততই গভীর দহন,নিভৃতে সব মনের ভিতরজীবন করে বহন।কেউবা হারায় নতুন নেশায়কেউবা হারায় লোভে,মনের সাথে যুদ্ধ করেকেউবা জ্বলে ক্ষোভে।রাতের আঁধার দিনের আলোয়মানুষ চেনা দায়,চেনার আশা বাদ দিয়ে তাইদাড়িয়ে থাকি ঠাঁয়।০৮.৩.২০২০
হাট ফেরতা পথে সেদিন এক পাগলে কয়,শুনে যা ঐ “কাপুড়ে বাবু” যদি সময় হয়!আমি বলি কওনা বাপু আমার সময় মেলা,বাড়ি গিয়ে খেলব শুধু ৩ গুটির এক খেলা।পাগল বলে দে’না তবে আমার সওয়াল জবাব,যে দেশেতে এত্ত গাড়ি সে দেশে কার অভাব?যেথায় মানুষ হাসতে হাসতে আরেক মানুষ মারে,শিক্ষা দীক্ষা কোথায় হেথা বলনা তুই আমারে?রাজার নীতির “ছুঁচোর কেত্তন”…