মুখোশ খুলি

হায়রে অবুঝ মানব হৃদয় , ভুল কিছুতেই ঘুচেনাযাকেই বুকে ঠাঁই দিয়াছি,অতীতের স্মৃতি মুছেনা।সময়ের স্রোতে জীবন ভাসে,ফিরেনা প্রিয় মুখপ্রকৃতির টানে মায়ার বাঁধনে, সবাইযে বিমুখ।যেজনার বাস মনের গহীনে, ভুলেও ভাবেনা সেপরের বাহুতে নিজেকে দুলায়,আমি থাকি পরবাসে।বুকের জমিন মরু হইল,জুটলনা সেই মালিনিয়তির হাওয়া উড়াইছে ধুলা,নিয়ত খামখেয়ালি।আশার চেয়ে ভরসা ছিল,যার ছবিটা ঘিরেঅবলীলায় সে চলে গিয়াছে,সকল বাঁধন ছিড়ে।তবু তার লাগি…
———— চল্লিশ বছরের পুরাণো রক্ত মাংসের এই শরীরে এখন আর ধৈর্য ধারণের খুব বেশি যায়গা হয়না- চোখের চাহনিতে বরফের শীতলতা দিয়ে ঢেকে রাখতে হয় ভিতরের ফুজিয়ামা- নিজের নখ উপড়ে হলেও ছিঁড়ে ফেলতে ইচ্ছে করে পুরু হয়ে জমে থাকা নিয়তির বেড়াজাল- বেহুশ রোবটের অনুভূতি নিয়ে বয়ে যাওয়া জীবন প্রবাহের মাঝে হঠাৎ দলা পাকিয়ে উঠে দু’টি শব্দ-…
হাট ফেরতা পথে সেদিন এক পাগলে কয়,শুনে যা ঐ “কাপুড়ে বাবু” যদি সময় হয়!আমি বলি কওনা বাপু আমার সময় মেলা,বাড়ি গিয়ে খেলব শুধু ৩ গুটির এক খেলা।পাগল বলে দে’না তবে আমার সওয়াল জবাব,যে দেশেতে এত্ত গাড়ি সে দেশে কার অভাব?যেথায় মানুষ হাসতে হাসতে আরেক মানুষ মারে,শিক্ষা দীক্ষা কোথায় হেথা বলনা তুই আমারে?রাজার নীতির “ছুঁচোর কেত্তন”…
হাজার বছরের এই চেনা পথ ধরে, ধুলোমলিন পায়ে আমি নিত্য ফিরব ঘরে। সারাদিনের ক্লান্তি নিয়ে ফিরব বাড়ির পানে, দাওয়ায় বসে থাকবে “সে”জন অজানা এক টানে। গোধূলি বেলায় ফিরব আমি নিয়ে গরুর পাল, দূর থেকে ডাকবে আমায় ছোট্ট ছনের চাল। থাকবেনা মোর বিশাল আশা- নিরাশারই দোল, ছোট্ট ঘরটি জুড়ে রবে আনন্দের হিল্লোল। হাটবারে যাব আমি দূরের…
মানুষ চিনতে করলে ভুলমাশুল অনেক চড়া,রক্ত মাংসের বুকের পাজরখরায় থাকে ভরা।সময় যত যায় চিনতেততই গভীর দহন,নিভৃতে সব মনের ভিতরজীবন করে বহন।কেউবা হারায় নতুন নেশায়কেউবা হারায় লোভে,মনের সাথে যুদ্ধ করেকেউবা জ্বলে ক্ষোভে।রাতের আঁধার দিনের আলোয়মানুষ চেনা দায়,চেনার আশা বাদ দিয়ে তাইদাড়িয়ে থাকি ঠাঁয়।০৮.৩.২০২০
এত হাসি এত গান এত কোলাহল মাঝে, মোর শুন্যতা- নীরবতা প্রতিধ্বনি হয়ে বাজে। কতনা চাওয়া কতনা আশা শুন্যে মেলে ডানা, বিধাতার নিয়মে সয়ে যাই সব নালিশ করতে মানা। হেসে হেসে লুকাই কান্নার সুর কথাতে ঢাকি ব্যাথা, এপার ওপার সাঁতরে নদী সুখ মেলেনা কোথা। যেধারে যাই সেধারেই লাগে ধূধূ মরুর হাওয়া, হইলোনা আর একজনমে সাধের কিছু…