শিকড়

শিকড় শুকিয়ে শাখা প্রশাখায়

ক্ষণিকের ঝলকানি,

প্রজন্মের পর প্রজন্ম টানবে

এ শিকড়হীনতার ঘানি।

শিরায় শিরায় ছড়াচ্ছে বিষ

বাইরে সাজানো সব,

চাতুর্যময় মিথ্যার ডামাডোল

চারিদিকে কলরব।

হারানোর তালিকা লুকিয়ে রেখে

প্রাপ্তির তালিকা দেখি,

মনের মাধুরী মিশিয়ে “জ্ঞানোপদেশ”

ভার্চুয়াল জগতে লেখি।

অন্ত:সারশুণ্য জ্ঞান-গরিমায়

জনে জনে মহাজন,

বাইরে বাজে আনন্দ হিল্লোল

ভিতরে ক্ষয়ের গুঞ্জন।

বর্ণিল শোভা ধ্বসে যাবে ঠিক

শিকড়হীনতার দায়,

চোরাবালিতে সাজানো মঞ্জিল

প্রকৃতিতে না শোভা পায়।

১৫.0১.২০২১

Similar Posts

  • সোনার দেশে

    ভোরের সূর্য উকি দিচ্ছে পুবের আকাশেমৃদু ছন্দে দুলছে এমন হিমেল বাতাসে।পাখির ডাকে জেগে উঠছে খোকা- খুকুর দলওমা- কে ডেকে বলছে আমায় বাইরে নিয়ে চলো।ঘরের কোণে চড়ুই পাখি করছে ছুটোছুটিতাই দেখে সব খোকাখুকু হেসেই কুটিকুটি।গাছের ডালে কাকের ঝাকটি ডাকছে কা কা রবেসব প্রাণীদের ঘুম ভাংগালে সকাল বুঝি হবে!সাদা সাদা বকেরা সব যাচ্ছে উড়ে উড়েনীল আকাশের প্রান্ত…

  • পাশে

    স্বর্গসুখে এখন তোমার কাটছে প্রতিদিনতোমার সময় কেড়ে নিয়ে বাড়াবোনা ঋণ।বহুধারায় সুখের ঝর্ণা ঝরছে তোমারপরে,হাতড়ে বেড়াই তোমায় শুধুই শুণ্য হৃদয়ঘরে।তোমার সুখের নহর যেথা বহে বহুধারায়,তাঁরাই বলে তুমি গেছো মোর দিগন্ত ছাড়ায়।হাসলে হাসি কান্না যেন অাড়াল করার আশে,চোখের সামনের সব বলে দেয় তুমি নাই আর পাশে।১০.০২.২০২০

  • মিল খুঁজে না পাই

    বৈশাখ আসছে নাকি গেছে বুঝিনাতো কিছু, সারা বছর ঝড় বৃষ্টি ছাড়ছেনাতো পিছু। চৈত্রে দেখি আষাঢ়ে মেঘ ঝড়ের দাপট মহা, ফাল্গুন মাসের অকাল বৃষ্টি যাচ্ছেনা আর সহা। মাঘের শীতে বোঝা যায়না শীত নাকি গরম, পৌষে একটু শীতল বায়ু নয়তো সে আর চরম। অগ্রহায়ণ ম্যারম্যারে ভাব নবান্নের নাই আমেজ, কার্তিক মাসের রৌদ্রে দেখি জৈষ্ঠ মাসের তেজ। আশ্বিন…

  • ঠগবাজ

    পাট গেছে ধানও যায় সোনা ফলা দেশে, সবকিছু মেনে নাও দাঁতকেলে হেসে। গোঁফে কাঁঠাল গাছে তেল ধরে দেদারছে, তেল মেখে এই দেশে কে কবে হারছে! শান্তির বাণী ঝুলে নিরাপদ রাস্তায়, দিনটাই শুরু হয় শুনে লাশ বস্তায়! ছেলেবুড়ো হয়ে গেছে যেন “একটু দুষ্ট”, নাবালিকার মাংসেও হয় পরিপুষ্ট। বড় স্যার খুঁজেফিরে মোটা টাকার বড় চাক, বেকারেরা চেয়ে…

  • শুন্যতা

    এত হাসি এত গান এত কোলাহল মাঝে, মোর শুন্যতা- নীরবতা প্রতিধ্বনি হয়ে বাজে। কতনা চাওয়া কতনা আশা শুন্যে মেলে ডানা, বিধাতার নিয়মে সয়ে যাই সব নালিশ করতে মানা। হেসে হেসে লুকাই কান্নার সুর কথাতে ঢাকি ব্যাথা, এপার ওপার সাঁতরে নদী সুখ মেলেনা কোথা। যেধারে যাই সেধারেই লাগে ধূধূ মরুর হাওয়া, হইলোনা আর একজনমে সাধের কিছু…

  • রাখাল বাঁশির সুরে

    হাজার বছরের এই চেনা পথ ধরে, ধুলোমলিন পায়ে আমি নিত্য ফিরব ঘরে। সারাদিনের ক্লান্তি নিয়ে ফিরব বাড়ির পানে, দাওয়ায় বসে থাকবে “সে”জন অজানা এক টানে। গোধূলি বেলায় ফিরব আমি নিয়ে গরুর পাল, দূর থেকে ডাকবে আমায় ছোট্ট ছনের চাল। থাকবেনা মোর বিশাল আশা- নিরাশারই দোল, ছোট্ট ঘরটি জুড়ে রবে আনন্দের হিল্লোল। হাটবারে যাব আমি দূরের…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *